1. Home
  2. শিক্ষা
  3. বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিকেএসপি তে ভর্তি

বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিকেএসপি তে ভর্তি

বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (Bangladesh Krira Shiksha Pratisthan) বা বিকেএসপি (bksp) আমাদের দেশের একমাত্র সরকারি ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া মেধা সম্পন্ন খেলোয়াড়দের সাধারন শিক্ষাসহ দীর্ঘ মেয়াদী বিজ্ঞানভিত্তিক ক্রীড়া প্রশিক্ষন প্রদানের মাধ্যমে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের করে প্রস্তুত করা হয়।

বিকেএসপি এর প্রধান ফটক

খেলাধুলার মান উন্নয়নে সঠিক প্রশিক্ষণ ও পর্যাপ্ত ক্রীড়া অবকাঠামো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই চাহিদা পূরনের জন্য ১৯৭৪ সালে প্রথম ক্রীড়াপ্রতিভা সনাক্তকরণ, প্রতিভাবানদের পরিচর্যা ও প্রশিক্ষক তৈরি ইত্যাদি লক্ষ্য অর্জনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার একটি পরিকল্পনা গ্রহন করে। পরবর্তীতে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয় যৌথভাবে প্রকল্প আকারে বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব স্পোর্টস বা সংক্ষেপে বিআইএস প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করে। এরপর ১৯৮৩ সালে এর নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা বিকেএসপি রাখা হয়। ১৯৮৬ সালের ১৪ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে বিকেএসপি যাত্রা শুরু করে। তখন থেকেই বিকেএসপি নিরলস ভাবে ভাল মানের খেলোয়াড় তৈরির কাজ করে যাচ্ছে।

বি কে এস পি তার কার্যক্রমে অত্যন্ত সফল এবং দেশের জন্য অনেক গৌরব বয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। বিকেএসপিতে শুধুমাত্র খেলাধুলাই হয় না এখানে নিয়ম মেনে পড়াশুনা ও খেলাধুলা একইসাথে করানো হয়। ক্যারিয়ার গড়ার জন্য একটি আদর্শ প্রতিষ্ঠান বিকেএসপি। শুধুমাত্র ছেলেরাই নয়, ছেলেদের পাশাপাশি মেয়ে শিক্ষার্থীদেরও এখানে ভর্তির সুযোগ রয়েছে। একজন সুদক্ষ খেলোয়াড় তৈরি করতে যত আধুনিক সুযোগ সুবিধা থাকা দরকার তার সবই বিকেএসপিতে আছে।

বিকেএসপি কোথায়?

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অভিমুখে সাভারের জিরানী নামক স্থানে বিকেএসপির প্রধান কেন্দ্র অবস্থিত। জাতীয় স্মৃতিসৌধ হতে এর দূরত্ব ০৯ কিলোমিটার এবং রাজধানী ঢাকা থেকে প্রাতষ্ঠানটির দূরত্ব প্রায় ৪৫ কিলোমিটার। চমৎকার পরিবেশে ১১৫ একর জমির জমির বিকেএসপি অবস্থিত। এ ছাড়াও সিলেট, চট্টগ্রাম, বরিশাল, খুলনা ও দিনাজপুরে বি কে এস পি ‘র আরও ৫টি আঞ্চলিক কেন্দ্র আছে।

বিকেএসপি তে ভর্তি

বিভিন্ন শ্রেণীতে শিক্ষার্থী  বিকেএসপি তে ভর্তি (b k s p admission) করা হয়। সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি করা হয় ক্রিকেট, ফুটবল, শ্যুটিং, আর্চারি, হকি, জুডো, টেবিল টেনিস, উশু, তায়কোয়ানদো ও অ্যাথলেটিকসে। চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি করা হয় সাঁতার, বক্সিং, জিমন্যাস্টিকস ও টেনিসে। অষ্টম ও নবম শ্রেণিতে ভলিবল ও বাস্কেটবল বিভাগে ভর্তি করা হয়। নিম্নে খেলার নাম, বয়স, ন্যূনতম উচ্চতা ও কোন শ্রেণীতে ভর্তি করা হয় তা বিস্তারিতভাবে দেয়া হলঃ

ক্রিকেট

  • বয়স ১৩
  • ন্যূনতম উচ্চতা ছেলেদের ক্ষেত্রে ৫’-১” এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে ৪’-১০”
  • ভর্তির শ্রেণি ৭ম

ফুটবল

  • বয়স ১৩
  • ন্যূনতম উচ্চতা ছেলেদের ক্ষেত্রে ৫’-১”
  • ভর্তির শ্রেণি ৭ম

বাস্কেটবল

  • বয়স ১৩-১৫
  • ন্যূনতম উচ্চতা ছেলেদের ক্ষেত্রে ৫’-১০”
  • ভর্তির শ্রেণি ৭ম

হকি

  • বয়স ১৩
  • ন্যূনতম উচ্চতা ছেলেদের ক্ষেত্রে ৫’-১”
  • ভর্তির শ্রেণি ৭ম

সাঁতার

  • বয়স ১০-১২
  • ন্যূনতম উচ্চতা ছেলেদের ক্ষেত্রে ৪’-৮” এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে ৪’-৭”
  • ভর্তির শ্রেণি ৪র্থ-৬ষ্ঠ

শ্যূটিং

  • বয়স ১৩
  • ন্যূনতম উচ্চতা ছেলেদের ক্ষেত্রে ৫’-১” এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে ৪’-১০”(শিথিলযোগ্য)
  • ভর্তির শ্রেণি ৭ম

টেনিস

  • বয়স ১২-১৩
  • ন্যূনতম উচ্চতা ছেলেদের ক্ষেত্রে ৪’-৮” এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে ৪’-৭”(শিথিলযোগ্য)
  • ভর্তির শ্রেণি ৬ষ্ঠ-৭ম

টেবিল টেনিস

  • বয়স ১৩
  • ন্যূনতম উচ্চতা ছেলেদের ক্ষেত্রে ৫’-০”
  • ভর্তির শ্রেণি ৭ম

আরচ্যারি

  • বয়স ১২-১৩
  • ন্যূনতম উচ্চতা ছেলেদের ক্ষেত্রে ৫’-০” এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে ৪’-১০”
  • ভর্তির শ্রেণি ৬ষ্ঠ-৭ম

এ্যাথলেটিক্স

  • বয়স ১৩
  • ন্যূনতম উচ্চতা ছেলেদের ক্ষেত্রে ৫’-১” এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে ৪’-১০”
  • ভর্তির শ্রেণি ৭ম

বক্সিং

  • বয়স ১০-১২
  • ন্যূনতম উচ্চতা ছেলেদের ক্ষেত্রে ৪’-৮”, ৫’-০”
  • ভর্তির শ্রেণি ৪র্থ-৬ষ্ঠ

জিমন্যাস্টিক্স

  • বয়স ১০-১২
  • ন্যূনতম উচ্চতা ছেলেদের ক্ষেত্রে ৪’-৮” এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে ৪’-৭”(শিথিলযোগ্য)
  • ভর্তির শ্রেণি ৪র্থ-৬ষ্ঠ

ভলিবল

  • বয়স ১৩
  • ন্যূনতম উচ্চতা ছেলেদের ক্ষেত্রে ৫’-০”
  • ভর্তির শ্রেণি ৭ম

জুডো

  • বয়স ১৩
  • ন্যূনতম উচ্চতা ছেলেদের ক্ষেত্রে ৫’-০” এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে ৪’-৯”
  • ভর্তির শ্রেণি ৭ম

কারাতে

  • বয়স ১৩
  • ন্যূনতম উচ্চতা ছেলেদের ক্ষেত্রে ৫’-০”
  • ভর্তির শ্রেণি ৭ম

তায়কোয়ান্ডো

  • বয়স ১৩
  • ন্যূনতম উচ্চতা ছেলেদের ক্ষেত্রে ৫’-০”
  • ভর্তির শ্রেণি ৭ম

উশু

  • বয়স ১৩
  • ন্যূনতম উচ্চতা ছেলেদের ক্ষেত্রে ৫’-০”
  • ভর্তির শ্রেণি ৭ম

সপ্তম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত বিকেএসপিতে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হলেও এর পাশাপাশি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায় স্নাতক(পাস) এবং ক্রীড়াবিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে ১০ মাস মেয়াদী ডিপ্লোমা কোর্সও করানো হয় বিকেএসপিতে। নভেম্বর মাসের শেষের দিকে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বি কে এস পি প্রশিক্ষণার্থী ভর্তি করা হয়।

প্রাথমিক নির্বাচন

  • প্রথমে ঢাকা বি কে এস পি থেকে আবেদন ফর্ম সংগ্রহ করতে হবে। প্রাথমিক নির্বাচনের দিন ঢাকা বিকেএসপি হতে আবেদন ফরম পূরণ করে প্রাথমিক নির্বাচনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।
  • ঢাকা বিকেএসপিতে প্রাথমিক নির্বাচনের দিন ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙ্গিন ছবি, জন্ম নিবন্ধন, পিএসসি, জেএসসি/জেডিসি ও নাগরিকত্ব সনদের কপি সত্যায়িত করে আনতে হবে।
  • প্রাথমিক নির্বাচনের দিন প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সরঞ্জাম ও পোশাক সঙ্গে আনতে হবে।
  • প্রাথমিক ডাক্তারী পরীক্ষা নেয়া হবে (বয়স নির্ধারণ ও অন্যান্য মেডিকেল পরীক্ষা)।
  • শারীরিক যোগ্যতা ও ফিটনেস পরীক্ষা এবং নির্দিষ্ট খেলা ও বিভাগ অনুযায়ী ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া হবে।

চূড়ান্ত নির্বাচন

  • শুধুমাত্র প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত খেলোয়াড়দের নিয়ে পাঁচ (৫) দিনের একটি প্রশিক্ষণ ক্যাম্প আয়োজন করা হবে।
  • প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে নির্দিষ্ট ক্রীড়া বিভাগের ব্যবহারিক পরীক্ষা এবং ক্রীড়া বিজ্ঞান বিষয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।
  • সবশেষে সর্বশেষ অধ্যায়নরত শ্রেণীর সিলেবাস অনুযায়ী বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে লিখিত পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।
  • চূড়ান্ত নির্বাচনের সময় জন্ম নিবন্ধন, পিএসসি ও জেএসসি বা জেডিসি পরীক্ষার সনদ অবশ্যই আনতে হবে।
  • সকল পরীক্ষার সমন্বিত ফলাফলের ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচন করা হয়। সাধারনত ৭০% শারীরিক যোগ্যতা বা ক্রীড়া নৈপুণ্য, ১০% ব্যবহারিক পরীক্ষা এবং বাকি ২০% লিখিত পরীক্ষার ভিত্তিতে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়ে থাকে।

বিকেএসপিতে ভর্তি ও অন্যান্য ফি

প্রশিক্ষণার্থীদের ফিস প্রদানের হার

  • ভর্তি কালীন ভর্তি ফিস ২০০০/- (দুই হাজার) টাকা
  • ভর্তিকালীন ও ফেরতযোগ্য জামানত ৫০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকা
  • বাৎসরিক মেডিকেল ফিস ৩০০/- (তিনশত) টাকা
  • বাৎসরিক পরীক্ষার ফিস ১৫০/- (একশত পঞ্চাশ) টাকা
  • ভর্তির পরবর্তী বছর থেকে প্রতি বছরের জন্য সেশন চার্জ ১৫০০/- (এক হাজার পাঁচশত) টাকা
  • বাৎসরিক ম্যাগাজিন ফিস ৫০/- (পঞ্চাশ) টাকা
  • বাৎসরিক লাইব্রেরি ফিস ১০/- (দশ) টাকা
  • বাৎসরিক বেতন বই ১০/- (দশ) টাকা
  • এছাড়াও, বিশ্ববিদ্যালয় এবং বোর্ড ফিস যা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত হয়।

কলেজ ফিস

অভিভাবকের মাসিক আয় কত তার উপর ভিত্তি করে ৩টি গ্রুপে কলেজ ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

  • ১ম ধাপ : আয় ৫০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকার নিচে হলে, সর্বনিম্ন মাসিক ফিস ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা।
  • ২য় ধাপ : আয় ৫০০১/- টাকা হতে ১৫০০০/- টাকা পর্যন্ত হলে, সর্বনিম্ন মাসিক ফিস হবে আয়ের ১০% (শতাংশ)।
  • ৩য় ধাপ : আয় ১৫০০১/- (পনের হাজার) টাকার চেয়ে বেশি হলে মাসিক ফিস আয়ের ১০%(শতাংশ), তবে এটির সর্বোচ্চ হার ৫০০০/- (পাঁচ হাজার) টাকা।

বিকেএসপি ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০১৯

ভর্তি বিজ্ঞপ্তি সাধারনত প্রতি বছর ডিসেম্বর মাসে জাতীয় দৈনিকে প্রকাশ করা হয়। ভর্তির প্রাথমিক নির্বাচনী কার্যক্রম ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হয়। ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০১৯ এই বছরের ডিসেম্বর মাসে জাতীয় পত্রিকায় পাওয়া যাবে।

ট্যালেন্ট হান্ট

বি কে এস পি ভর্তি প্রক্রিয়ার বাইরেও প্রতিভা অন্বেষণের জন্য সমগ্র দেশব্যাপি ট্যালেন্ট হান্ট কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে সারা দেশ থেকে ট্যালেন্ট খুঁজে বের করে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে উপযুক্ত করে গড়ে তুলে তারপর বিকেএসপির মূল শিক্ষা কার্যক্রমে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভর্তি করা হয়।

সুযোগ-সুবিধা

  • সর্বাধুনিক এবং বিজ্ঞান ভিত্তিক প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা।
  • যোগ্যতা অনুসারে দেশের বিভিন্ন ক্লাব এবং ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলার সুযোগ।
  • কৃতি প্রশিক্ষণার্থীরা টিউশন ফি মওকুফ সুবিধা এবং অন্যান্য বিষয়ে কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য উৎসাহব্যঞ্জক নানান প্রণোদনামূলক পুরস্কারের ব্যবস্থা।
  • শিক্ষা বোর্ডের সিলেবাস অনুসারে সাধারণ শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
  • সম্পূর্ণ আবাসিক ব্যবস্থা এবং অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ভাবে সবকিছু নিয়ন্ত্রিত হয়।
  • পুষ্টিকর খাবার পরিবেশন করা হয়।
  • খেলাধুলা ও পরালেখার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষার সু-ব্যবস্থা।

বিকেএসপির কার্যক্রম

  • প্রাথমিক প্রশিক্ষণ প্রদান এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণের জন্য সম্ভাবনাময় খেলোয়াড় নির্বাচন করে তাদের বয়স ভিত্তিক ধারাবাহিক দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
  • ন্যাশনাল স্পোর্টস কাউন্সিল, বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন এবং ন্যাশনাল স্পোর্টস ফেডারেশনের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন জাতীয় দলের কৌশলগত ও বিজ্ঞানসম্মত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়।
  • খেলোয়াড়দের সু-শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে ক্রীড়া শিক্ষার পাশাপাশি সপ্তম শ্রেণী থেকে স্নাতক পর্যন্ত পড়াশোনার ব্যবস্থা করা হয়।
  • দক্ষ কোচ, রেফারী এবং আম্পায়ার সৃষ্টি ও কলাকৌশলগত মান বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
  • বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের পূর্বে জাতীয় দলসমূহকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
  • কোচ, রেফারী ও আম্পায়ারদের জন্য বিভিন্ন সার্টিফিকেট কোর্স পরিচালনা করা হয়।

বিকেএসপির কৃতি খেলোয়াড়

বিশ্বের নম্বর #১ অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান ছাড়াও সৌম্য সরকার, মুশফিকুর রহিম, নাসির হোসেন, এনামুল হক বিজয়, মুমিনুল হক, আবদুর রাজ্জাক এমনকি প্রথম টেস্ট অধিনায়ক নাঈমুর রহমান দুর্জয়-ও ছিলেন বিকেএসপি’র শিক্ষার্থী।

যোগাযোগের ঠিকানা

বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান – বিকেএসপি (b k s p)
জিরানী, আশুলিয়া, ঢাকা-১৩৪৯
টেলিফোনঃ ৭৭৮৯২১৫, ৭৭৮৯২১৬, ৭৭৮৯২১৮, ৭৭৮৯২১৮, ৭৭৮৯৫১৫
মোবাইলঃ ০১৭১২০০৭০৩৮, ০১৭১৩২৪৬০৪০
ইমেইলঃ bksp1983@yahoo.comdgbksp@gmail.com
ওয়েবসাইটঃ bksp.gov.bd bksp-bd.org

বিকেএসপি নতুন প্রজন্মকে ক্রীড়াক্ষেত্রে উৎসাহিত করা এবং তাদের মাঝে ক্রীড়া সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রাথমিক এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণ এবং সাথে সাথে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চতর পর্যায়ে পরিকল্পিত বিজ্ঞান ভিত্তিক ক্রীড়া বিষয়ক এবং সাধারণ শিক্ষা প্রদানের মাধ্যমে দক্ষ খেলোয়াড়, প্রশিক্ষক এবং ক্রীড়া সংগঠক হিসেবে গড়ে তোলাই বিকেএসপির উদ্দেশ্য।

লেখাটি কি আপনার জন্য সাহায্যকারী ছিল?

আরও দেখতে পারেন

error: লেখার সত্ত্ব সংরক্ষিত !!