ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ

ডেঙ্গু জ্বরে করনীয় কাজ বা ডেঙ্গু জ্বরের চিকিৎসা করার আগে প্রথমে নিশ্চিত হতে হবে ডেঙ্গু জ্বর হয়েছে কিনা। জ্বরের লক্ষণ দেখে, পাশাপাশি রক্ত পরীক্ষা করে ডাক্তাররা বুঝতে চেষ্টা করেন ডেঙ্গু হয়েছে কিনা। রক্ত পরীক্ষা করলে ডেঙ্গুজ্বর রোগের ধরন ও মাত্রা বুঝা হয়। এক ধরনের জীবাণু দিয়ে ডেঙ্গুজ্বর হয় আর এডিস মশা এই রোগের জীবাণু বহন করে।

সাধারণত শহর অঞ্চলে ডেঙ্গুজ্বর রোগ বেশি লক্ষ্য করা যায়। এমনকি যেসব অঞ্চলে বেশি গরম পড়ে সেসব অঞ্চলের মানুষ ডেঙ্গুজ্বরে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকে। এছাড়া যারা পূর্বেও ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন তাদের ক্ষেত্রে এই রোগে আবার মারাত্মকভাবে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

ডেঙ্গু জ্বর

ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হলে যেসব জটিলতা দেখা দেয়:

  • ডেঙ্গুজ্বর থেকে সুস্থ হওয়ার পরও কয়েক সপ্তাহ বা মাস পর্যন্ত বয়স্ক ব্যক্তিদের মধ্যে ক্লান্তিবোধ, অবসন্নতা লক্ষ্য করা যায়।
  • মারাত্মক ডেঙ্গুজ্বর থেকে ডেঙ্গু হেমোরেজিক জ্বর বা ডেঙ্গু শক সিনড্রোম জ্বর হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এর ফলে যে সকল সমস্যা হতে পারে তাহলো-অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ,শক এমনকি এ ধরনের সমস্যা থেকে মৃত্যু পর্যন্তও হতে পারে।
  • অনেকসময় সু্‌স্থ্ হবার পর অনেকের যকৃত, রক্তনালী এমনকি মস্তিস্কের ক্ষতি হতে পারে।

ডেঙ্গু জ্বরে করনীয় ও ডেঙ্গু জ্বরের চিকিৎসা

  • বেশি বেশি করে তরল জাতীয় খাদ্য গ্রহন করবেন।
  • প্যারাসিটামল ওষুধ সেবন করবেন।
  • ডেঙ্গুজ্বর থেকে সুস্থ হওয়া পর্যন্ত হাসপাতালে রেখে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করা।
  • ডেঙ্গুজ্বর রোগীকে প্রয়োজন হলে শিরাপথে স্যালাইন দিতে হবে।
  • নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করতে হবে।
  • ডেঙ্গুজ্বর রোগীকে রক্ত ঘাটতি পূরণের জন্য রক্ত দেওয়া।
  • বাড়তি পথ্য ও বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
  • বমি এবং জ্বর থেকে যাতে পানিশূণ্যতা না হয় তার জন্য রোগীকে বেশি বেশি করে খাবার স্যালাইন ও অন্যান্য তরল খাবার খেতে দিবেন।
  • আক্রান্ত রোগীকে অবশ্যই মশারীর ভিতর রাখতে হবে।
  • চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কখনোই নিজে থেকে কোন ব্যথানাশক ঔষধ খাবেন না, তাতে ডেঙ্গুজ্বরের জটিলতা বরং বেড়ে যেতে পারে।

জানতে চাই  ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার