ডেঙ্গু জ্বর

১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত জ্বর, তিব্র মাথা ও পিঠ ব্যথা, সারা শরীরে লালচে দানা, মাংসপেশি ও চোখের পিছনে ব্যথা, বমি বমি ভাব ইত্যাদি লক্ষণ সাধারনত ডেঙ্গু জ্বরের ক্ষেত্রে দেখা যায়। বিস্তারিত জানার জন্য দেখুন ডেঙ্গুজ্বরের লক্ষণ
ডেঙ্গুজ্বর এডিস মশা দিয়েই হয়। ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত কোন রোগীকে কোন এডিস মশা কামড়ালে সেই এডিস মশাটিও ডেঙ্গু ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যায়। এই মশাটি যখন আরেকজন সু্‌স্থ্ ব্যক্তিকে আবার কামড় দেয় তখন সু্‌স্থ্ মানুষটিও ডেঙ্গুরোগে আক্রান্ত হয়। তাই, ডেঙ্গু রোগ বাহিত মশা থেকে সতর্ক থাকলেই শুধুমাত্র ডেঙ্গু প্রতিরোধ করা সম্ভব।

ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ
ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধে আমাদের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে নিম্নলিখিত কাজগুলো করতে হবেঃ

  • দিনের বেলায় এডিস মশা কামড়ায়। তাই দিনের বেলা ঘুমাতে চাইলে মশারী টাঙিয়ে অথবা কয়েল জ্বালিয়ে নিতে হবে।
  • ডেঙ্গু আক্রান্ত ব্যক্তিকে অবশ্যই মশারীর মধ্যে রাখতে হবে যাতে পুনরায় রোগীকে কোন মশা কামড়াতে না পারে।
  • নিজ দায়ীত্বে বাড়ির আশেপাশের ঝোপঝাড়, জঙ্গল পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
  • বাড়ির আশেপাশে এমন কোন অব্যবহৃত জিনিস রাখা যাবেনা যাতে পানি জমতে পারে। যেমনঃ ভাঙ্গা ফুলের টব, অব্যবহৃত কৌটা, ভাঙ্গা ফুলদানি, ভাঙ্গা বেসিন, অব্যবহৃত টায়ার, ডাবের খোসা, মুখ খোলা পানির ট্যাঙ্ক, প্লাস্টিকের প্যাকেট, পলিথিন ইত্যাদি।

পূর্বের যেকোনো সময়ের তুলনায় বর্তমান সময়ে ডেঙ্গু জ্বরের উপদ্রপ অনেক বেড়েছে। একটু সতর্কতার সাথে থাকলে আর বাড়ি, বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার পরিছন্ন রাখলে আর ভালভাবে ডেঙ্গুজ্বরের লক্ষণ ও প্রতিরোধের উপায় জানা থাকলে খুব সহজেই ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধ করা যায়।

জানতে চাই  ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার