চোখের পাপড়ি ঘন ও একটু বড় হলে পুরো চোখের আকারই বদলে যায়। আমরা কেউ কেউ মেকআপের মাধ্যমে চোখের পাপড়ি বড় করে থাকি । আবার কেউ কেউ মোটা করে মাশকারা ব্যবহার করেন ।অনেকে আবার ফলস আইল্যাশ লাগান। ঘরোয়া কিছু প্রাকৃতিক এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বিহীন উপায়ে খুব সহজেই চোখের পাপড়ির আকার বড় করে নেয়া সম্ভব।ব্যাপারটি একেবারেই কঠিন কিছু না নিম্নে সহজ উপায় গুলো দেয়া হলঃ

১) পেট্রোলিয়াম জেলির ব্যবহারঃ
চোখের পাপড়ির আকার বড় করার জন্য রাতে ঘুমুতে যাওয়ার আগে মাশকারার ব্রাশে পেট্রোলিয়াম জেলি মেখে মাশকারা দেয়ার মতো চোখের পাপড়িতে লাগিয়ে রাখুন। পুরো রাত এভাবে রেখে সকালে কুসুম গরম পানিতে মুখ ধুয়ে নিন।

২) লেবুর খোসার ব্যবহারঃ
চোখের পাপড়ি বড় করার জন্য লেবুর খোসার ব্যবহার করা যায়। সামান্য অলিভ অয়েল বা আমন্ড অয়েলে লেবুর খোসা দিয়ে তা গরম করুন। ৩-৪ বার গরম করুন এবং লক্ষ্য রাঙ্খুন তেল যেনো ফুটে না যায়। এই তেলটি মাশকারা ব্রাশের সাহায্যে মাশকারা দেয়ার মতো চোখের পাপড়িতে লাগিয়ে নিন। পুরো রাত এভাবে রেখে সকালে কুসুম গরম পানিতে মুখ ধুয়ে নিন।

৩) অলিভ অয়েলের ব্যবহারঃ
একটি পুরাতন মাশকারার ব্রাশ পরিষ্কার করে নিন। রাতে ঘুমুতে যাওয়ার সময় মাশকারার ব্রাশ দিয়ে অলিভ অয়েলে ডুবিয়ে মাশকারা দেয়ার মতো চোখের পাপড়িতে লাগান। সকালে কুসুম গরম পানিতে মুখ ধুয়ে নিন। এভাবে নিয়মিত ব্যবহার করলে ২-৩ মাসের মধ্যেই পরিবর্তন দেখতে পাবেন । একই রূপে ক্যাস্টর অয়েল ও আমন্ড অয়েল ব্যবহার করতে পারবেন।

জানতে চাই  কিভাবে মেকআপ ব্যাবহারের মাধ্যমে চোখকে নজরকাড়া সুন্দর করতে পারবেন?

এছাড়াওঃ
* চুল বৃদ্ধির জন্য চুল সঠিকভাবে এবং নিয়মিত আঁচড়ানো যেমন প্রয়োজন, তেমনি চোখের পাপড়িও বৃদ্ধি সম্ভব। নিয়মিত চোখের পাপড়ি আঁচড়াবেন।
* অতিরিক্ত মাত্রায় আইশ্যাডো কালার ব্যবহার করবেন না। এতে চোখের পাপড়ির ক্ষতি হয়।
* ভিটামিন “ই” চোখের পাপড়ি বড় করতেও সাহায্য করে।