গ্রীষ্মের সময় পা বেশি ঘামার কারণে পায়ে ময়লা আটকে যায়,পায়ে দুর্গন্ধ হয়। গ্রীষ্মের অতিরিক্ত রোদ, ধুলাবালি ইত্যাদি কারণে পায়ের ত্বকও পুড়িয়ে দেয় এতে ত্বকের ক্ষতি হয়। তাই গ্রীষ্মে পায়ের যত্ন প্রযোজন  সাথে যতোটা সম্ভব পা ঢেকে রাখা।

গ্রীষ্মে পায়ের যত্ন নেয়ার দারুন সহজ কিছু টিপস্‌ জেনে নিন

  • গ্রীষ্মে যতটা সম্ভব পা ঢাকা জুতা পরবেন। তবে পায়ের পাতা রোদ থেকে বাঁচাতে অবশ্যই বেশি এসপিএফ সমৃদ্ধ সানস্ক্রিন লোশন ব্যবহার করতে পারেন। তাছাড়া পায়ের পাতা বাঁচাতে পাতলা মোজাও পরতে পারেন।
  • বাইরে থেকে ঘরে ফিরে পা ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে। গরমেও ত্বক আর্দ্রতা হারায়। তাই গরমেও ত্বকে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ে। গরমের দিনেও রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ভালো মানের ময়েশ্চারাইজার বা ফুটক্রিম ব্যবহার করতে হবে।
  • গ্রীষ্মকালে অবশ্যই পা ঢাকা জুতা পরতে হবে। এতে পায়ে রোদের তাপ, ধুলাবালি সরাসরি পরবে না এবং পায়ের ত্বক পরিচ্ছন্ন ও সুস্থ থাকবে।
  • নিয়মিত পা পরিষ্কার করবেন এবং নিয়ম করে পেডিকিওর করিয়ে নিবেন। তাহলে পায়ের ত্বক পরিষ্কার থাকবে এবং রোদেপোড়াভাব কমে যাবে।
  • চন্দন, মুলতানি মাটি, দুধ ও পাকাকলা একত্রে চটকে মসৃণ মিশ্রণ তৈরি করে তা পায়ে লাগালে পারেন। এতে পায়ের ত্বক কোমল হবে ও রোগেপোড়া দাগ কমবে। রোদেপোড়া দাগ দূর করতে এই ঘরোয়া প্যাক তৈরি করে ব্যবহার করতে পারেন।
  • রোগেপোড়া দাগ দূর করতে লেবুর রস খুবই কার্যকর উপায়। নিয়মিত লেবুর রসে তুলা ভিজিয়ে পায়ে লাগাতে পারেন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলবেন। লেবুর রস ত্বকের রং উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে।
  • কুসুম গরম পানিতে ভিনিগার বা লেবুর রস ও শ্যাম্পু মিশিয়ে পা ভিজিয়ে রাখলে পায়ের মৃতকোষ উঠে আসবে এবং ত্বক নরম হবে। কিছুক্ষণ পর পা মাজুনি বা ঝামা দিয়ে পা ঘষে নিবেন। এরপর পা পরিষ্কার পানিতে ভালোভাবে ধুয়ে শুকনা করে মুছে নিয়ে ময়েশ্চারাইজার করবেন। এতে পা পরিষ্কার হবে ও কোমল থাকতে সাহায্য করবে।
  • গরমে জুতা বাছাইয়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই আরামের বিষয়ের সাথে পা ঢাকা জুতা বেছে নেওয়া জরুরি। আর যদি খোলা স্যান্ডেল পরতেই হয় তবে অবশ্যই পায়ে বেশি পরিমাণে সানস্ক্রিন লোশন মেখে নিতে হবে।

জানতে চাই  প্রাকৃতিক উপায়ে হাত ও পায়ের রোদে পোড়া দাগ দূর করার ৭ টি উপায়