শুধুমাত্র মাটির টবে লাগানো গাছে নয়, ঘরের ভেতর বাহারি পাত্রে নানা রকম গাছ ও লতাপাতা রেখে গাছের উপস্থাপনে এসেছে নানান বৈচিত্র্যময় গৃহসজ্জা । গাছের ডালে ও লতাপাতায় জুড়ে দেওয়া হচ্ছে কাঠের পাখি, ঝুড়ি, পাখির ঘর ইত্যাদি নানান কিছু।

এখন শুধু টবে সুন্দর গাছ রাখার মাধ্যমেই নয়, মাটির টবে গাছ রাখাতেও ভিন্ন কৌশল ব্যবহার হচ্ছে। এমন একটা সময় ছিল যখন ঘরের ভিতরে গাছ রাখার জন্য পিতল বা মাটির টব ব্যবহার করা হতো। আর টবটি রাখা হতো ঘরের কোনায় অথবা সিঁড়িঘরে। কিন্তু এখন প্রচলিত ধারা পাল্টে অন্দরসজ্জায় গাছ ব্যবহারে এসেছে বৈচিত্র্যময় গৃহসজ্জা । তাই শুধু মেঝেতেই নয়, টেবিল, জানালার গ্রিলে, ঘরের দেয়াল, ঘরের কোনায় এমনকি সিলিং থেকেও ঝুলিয়ে দেওয়া হচ্ছে নানান ধরনের বাহারি লতানো গাছ।

গাছ রাখার পাত্রটিতেও আনা হয়েছে পরিবর্তন। গাছ রাখার পাত্রগুলোতে ব্যবহৃত প্রতিটি জিনিসই স্বল্পমূল্যের উপাদান থেকে তৈরি। শুকনো গাছের ডাল, পুরানো মাছ ধরার জালের সুতা, অব্যবহৃত কাঠের টুকরো দিয়ে পাত্রগুলো তৈরি করা হছে বলে পাত্রগুলোর দামটাও থাকছে সাধ্যের মধ্যে।

গাছ রাখার পাত্রটিতে কখনো কাঠের ওপর টেরাকোটা, কখনো গাছের ডাল দিয়ে দেওয়া হচ্ছে নানান ধরনের শিল্পকর্মের রূপ। সেজন্য মাটিসহ পছন্দের গাছটিকে টবে রাখার জন্য প্লাস্টিকের গ্লাস ব্যবহার করা হচ্ছে। প্লাস্টিকের গ্লাসে গাছ লাগালে গাছ ও টব উভয়ের যত্ন করা যায়। প্লাস্টিকের গ্লাস ব্যবহারের প্রধান সুবিধা হলো, পানি দেয়ার সময় সহজেই টবের ভেতর থেকে গ্লাসটিকে উঠিয়ে নেওয়া সম্ভব এছাড়া খুব সহজেই গাছটিকে তুলে নিয়ে রোদেও দেয়া যায়। এতে টবের গায়ে পানি পড়ে তা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে না।

জানতে চাই  খেলাঘর - শিশুর খেলার ঘর কিভাবে সাজাবেন?